হাঁস ইংরেজি কি? হাঁস English Meaning

গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে ঘাস আমাদের কাছে পরিচিত কিন্তু হাঁস ইংরেজি কি এই বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। তাই গৃহপালিত প্রাণী অর্থাৎ হাঁসের ইংরেজি শব্দার্থ কি হবে তার যথাযথ উত্তর নিয়ে এই পোস্টটি আমরা সাজাবো।

আমাদের আশেপাশের বহুল পরিচিত একটি গৃহপালিত প্রাণীর নাম হচ্ছে হাঁস এবং এটিকে আমরা বাংলা অর্থ হাঁস বলে ডাকি। কিন্তু অনেকেই আছে, বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা হাঁসের ইংরেজি সম্পর্কে জানে না তাই হাঁসের ইংরেজি বলবো।

হাঁস ইংরেজি কি
হাঁস ইংরেজি কি?

হাঁস ইংরেজি কি: হাঁসের ইংরেজি হচ্ছে Duck, অর্থাৎ ইংরেজিতে হাঁসকে Duck বলে ডাকা হয়ে থাকে। হাঁস বিশেষ করে পানিতে চলাচল করে এবং এই পানিতে চলাচল রত গৃহপালিত প্রাণীটির ইংরেজি ডাক নাম হচ্ছে Duck বা ড্যাক।

আপনারা যদি হাঁসের ইংরেজি কি এ বিষয়টি সম্পর্কে না জানতেন তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য সাহায্যপূর্ণ হবে।

কেননা আজকের এই পোস্টটিতে আমরা যথাযথভাবে সঠিক উত্তরটি প্রদান করেছে অর্থাৎ আপনাকে হাঁসের সঠিক ইংরেজি বলেছে।

হাঁস পাখি না পশুর অন্তর্ভুক্ত?

আমরা হাঁসকে গৃহপালিত পশু হিসেবে পালন করে থাকে কিন্তু অনেকেই আছে যারা হাঁস পশু না পাখি তা জানে না। তাই আজকে আমরা আমাদের এই পোস্টটির মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করব যে হাঁস আসলেই কি পশু, না হাঁস এক ধরনের পাখি।

আসলে সঠিকভাবে বলতে গেলে আমরা যদিওবা হাঁসকে পশু বলে ডাকি কিন্তু হাঁস হচ্ছে এক ধরনের পাখি।

আসলে হাঁস হচ্ছে একটি পাখি কিন্তু আমাদের আশেপাশের হাঁসগুলো অন্যান্য পাখির মতো উড়ায় না, তাই মনে হয় হাঁস পাখি না।

একটি পাখি হওয়ার জন্য যতগুলো বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন হয়, তার প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য একটি হাঁসের মধ্যে বিদ্যমান থাকে। আমাদের আশেপাশে থাকা হাঁসগুলো উড়তে পারে না কিন্তু মুক্ত ভাবে পালন করা অথবা বনে থাকা হাঁসগুলো পারে।

তাহলে খুব সহজেই বলা যায় যে, হাঁস হচ্ছে পাখির অন্তর্ভুক্ত কেননা হাঁসের মধ্যে সকল পাখির বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

তাই আপনাকে যদি প্রশ্ন করে “হাঁস পাখি না পশু” তাহলে উত্তরে বলবেন হাঁস হচ্ছে একটি পাখি এবং পাখির বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

হাঁসের উপকারিতা কি কি?

আমরা অনেকেই আছি হাঁস পালন করি অথবা আমাদের আশেপাশে অনেকেই আছেন যারা হাঁস পালন করে থাকে। তবে হাঁস কি কারনে পালন করা হয় বা হাঁসের উপকারিতা কি কি এই বিষয় সম্পর্কে হয়তোবা আমরা অনেকেই জানিনা।

নিচে উল্লেখযোগ্য কিছু হাঁসের উপকারিতা সমূহ বিশেষভাবে প্রদান করা হলো:

  • আমিষের অন্যতম বিশেষ উৎস হিসেবে আমরা হাঁস থেকে মাংস ও ডিম পায়।
  • পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হাঁসের ডিম উপকার।
  • পুকুরের মাছের যথাযথ খাবার নিশ্চিত করতে হাঁসের পায়খানা অনেক উপকারী।
  • বিভিন্ন ধরনের সুন্দর কসমেটিক পণ্য তৈরিতে হাঁসের ডানা ব্যবহার করা হয়।
  • হাঁসের মাংস থাকে সঠিক পরিমাণে প্রোটিন যা আমাদেরকে সঠিক শক্তি প্রদান করে।
  • ওজন বৃদ্ধি করতে এবং শরীরের ওজন কমে গেলে হাঁসের মাংস শরীরের জন্য উপকারী।
  • আমাদের শরীর ঠান্ডা হতে শুরু করলে, হাঁসের মাংস খেলে শরীর গরম হয়ে যায়।
  • বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করার ক্ষেত্রে হাঁসের মাংস সঠিক উপাদান।
  • অন্যান্য মাংসের তুলনায় হাঁসের মাংসে চর্বির পরিমাণ কম থাকায় হাঁসের মাংস উপকারী।
  • শরীরের কর্মদক্ষতা সঠিকমত বজায় রাখার জন্য হাঁসের ডিম ও মাংস অনেক বেশি ভূমিকা রাখে।

এগুলো ছিল হাঁসের কিছু উপকারিতা এবং আমরা এই উপকারগুলো উপভোগ করার জন্য গবাদি পশু হিসেবে হাঁস পালন করি। আর হাঁস থেকে আমরা প্রতিনিয়ত ডিম পাই অর্থাৎ হাঁস আমাদেরকে প্রতিনিয়ত পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে থাকে।

আরও পড়ুন: হাঁসের ডিমের উপকারিতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *