যোগাযোগ কি? যোগাযোগ কাকে বলে? কার্যকরী যোগাযোগের উপাদান

যোগাযোগ কি: দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে উভয়ের জন্য প্রয়োজনীয় এবং বোধগম্য সাধারণ তথ্যের বিনিময় হচ্ছে যোগাযোগ।

যোগাযোগ শব্দের ইংরেজি আভিধানিক অর্থ হলো Communication যা ল্যাটিন শব্দ Communis মূল ধাতু থেকে আগত। Communis শব্দের অর্থ হলো Common বা সাধারণ এবং এর উপর ভিত্তি করে যোগাযোগের সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়েছে।

Communication বা যোগাযোগ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যেখানে প্রেরক মাধ্যমের সহায়তায় প্রাপকের নিকট বার্তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

এবং প্রাপক গ্রহনকৃত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত বা আচরণ ব্যক্ত করে থাকেন।

যোগাযোগ কি
যোগাযোগ কি?

সার্বিকভাবে বলা যায় যে, যোগাযোগ হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মাঝে ভাব, তথ্য, দক্ষতা, ঘটনা, অনুভূতি এবং আবেগ বিনিময় করা সম্ভব হয়।

বর্তমানে আমরা যোগাযোগ বলতে শুধুমাত্র যোগাযোগকে বুঝিনা বরং সেই সাথে এতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি কে বোঝায় যা দ্বারা যোগাযোগ হয়। আর যোগাযোগ করার জন্য যে সকল প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করে থাকি সেই সকল প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বা তথ্যপ্রযুক্তি বলে ডাকি।

বর্তমানে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তারবিহীন অবস্থায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে এবং সেই সাথে পরিধি কমেছে মানুষের দূরত্বের।

যোগাযোগ করার জন্য কিছু উপাদানের প্রয়োজন হয় এবং এই সকল মূল উপাদান দ্বারা আমাদের যোগাযোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে।

যোগাযোগ কাকে বলে?

সংজ্ঞা যোগাযোগ কাকে বলে: দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিভিন্ন তথ্যের বিনিময় করার মাধ্যমকে যোগাযোগ বলা হয়। Communication বা যোগাযোগ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যেখানে প্রেরক তার তথ্য প্রেরণ করতে পারে এবং প্রাপক তারপর প্রতিক্রিয়া দিতে পারে।

মানুষ যদিওবা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে না কিন্তু যোগাযোগ ছাড়া এরা চলতে পারে না এবং অবশ্যই সাহায্য প্রয়োজন হয়।

আর সাহায্য পাওয়ার জন্য এবং মনের দুঃখ প্রকাশ করতে অবশ্যই মানুষকে যোগাযোগ করতে হয় যা মানুষের ব্যথা দূর করতে পারে।

মানুষ অন্য আরেকটি মানুষের সঙ্গে নিজের ভাবভঙ্গি প্রকাশ করার মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করার এই প্রক্রিয়া যোগাযোগের অন্তর্ভুক্ত। আবার সেই সাথে দুঃখ প্রকাশ ছাড়া ভালো মন্দ জিজ্ঞাসা ও মন খুলে কথা বলার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়াটা হচ্ছে যোগাযোগের অন্তর্ভুক্ত।

তবে আমরা প্রাচীনকালে যেভাবে যোগাযোগ করতাম তা ছিল অনেক বেশি সময় সাপেক্ষ এবং নিকট আত্মীয়র জন্য যেতে হতো দূরে।

বর্তমানে যোগাযোগ প্রযুক্তি আসার ফলে এটি আর প্রয়োজন হয় না কেননা আমরা কাছে বসে যোগাযোগ করার মত সুবিধা উপভোগ করি।

কার্যকরী  যোগাযোগের মূল উপাদান

বর্তমানে যেহেতু যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়েছে প্রযুক্তি দ্বারা এবং এ প্রযুক্তি যোগাযোগের জন্য কিছু উপাদান ব্যবহার করে। অর্থাৎ যখন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যোগাযোগের জন্য তখন আমরা বিভিন্ন প্রকার উপাদানের প্রয়োজন মেটায় উক্ত যোগাযোগ সম্পন্নের জন্য।

নিচে আমরা উল্লেখযোগ্য কিছু কার্যকরী যোগাযোগের উপাদান সমূহ উল্লেখ করা হলো:

  • প্রেরক (Sender or Source): যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে প্রথমে যে বার্তা প্রেরণ করবে।
  • বার্তা বা মেসেজ (Message or information): বক্তার ভাব বা বক্তা কি বলতেছে।
  • মাধ্যম বা প্রক্রিয়া (Media or Channel): কিভাবে বলছে বা কিভাবে যোগাযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
  • গ্রহীতা বা প্রাপক (Recipient or Audience): কাকে বলছে বা বার্তা কার নিকট পৌঁছাচ্ছে।
  • ফিডব্যাক বা প্রতিক্রিয়া (Feedback or Answer): প্রতিক্রিয়া হিসেবে বা উত্তর হিসেবে প্রাপক যা প্রদান করে।

এগুলো ছিল যোগাযোগ করার কিছু উপাদান সমূহ যেগুলো দ্বারা যোগাযোগ করা সম্পন্ন হয় এবং উপাদান গুলো কার্যকর হয়।

ধন্যবাদ আমাদের সাথে যোগাযোগ কি এ বিষয়ের উপর আপনার প্রতিক্রিয়া সর্বশেষ পর্যন্ত দেখানোর জন্য এবং যোগাযোগ সম্পর্কে জানার জন্য।

আরও পড়ুন: বিশ্বগ্রাম কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!