বাফার দ্রবণ কাকে বলে?

বাফার দ্রবণ কাকে বলে: যে দ্রবণে অল্প এসিড ও ক্ষার যুক্ত করার পরেও দ্রবণের ph মানের কোন পরিবর্তন ঘটে না, তাকে বাফার দ্রবণ বলে। তাহলে বোঝা গেল যে বাফার দ্রবণ হলো এমন এক ধরনের দ্রবণ যার মধ্যে ph মান পরিবর্তন হয় না।

তবে বাফার দ্রবণের মধ্যে ph মান পরিবর্তন হবে না এমন কথা নয় বরং অল্প এসিড ও ক্ষারের পরিবর্তন হবে না।

অর্থাৎ আপনি যদি একটি বাফার দ্রবণের মধ্যে অল্প পরিমাণ এসিড ও ক্ষার যুক্ত করি তাহলে পিএইচ মান পরিবর্তন হবে না।

বাফার দ্রবণ কাকে বলে
বাফার দ্রবণ কাকে বলে?

কিন্তু পক্ষান্তরে আপনি আমি যদি একটু বেশি বা গাঢ় এসিড ও ক্ষার বাফার দ্রবনে মিশ্রিত করে তাহলে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু তবুও প্রত্যেকটি বাফার দ্রবণের মধ্যে এমন পরিবর্তন বেশি লক্ষ্য করা যাবে না, কেননা এই সকল দ্রবণ পরিবর্তনহীন।

তাহলে আমি আশা করতেই পারি যে আপনারা ইতিমধ্যে উপরের তথ্যগুলো দ্বারা বাফার দ্রবণের সংজ্ঞা পেয়েছেন।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো যে এই বাফার দ্রবণের আবার কোন প্রকারভেদ আছে কিনা, যদি প্রকারভেদে থাকে তাহলে সেগুলো কি?

বাফার দ্রবণ কত প্রকার ও কি কি?

আমরা ইতিমধ্যে বাফার দ্রবণের বেশ কয়েকটি পরিচয় সম্পর্কে জানলাম এবং সেইসাথে সংজ্ঞা সম্পর্কে জানলাম। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে এই বাফার দ্রবণের কোন প্রকারভেদ আছে কিনা, আসলে বাফার দ্রবণ মূলত দুই প্রকার হয়ে থাকে, যেমন:

  • অম্লীয় বাফার দ্রবণ
  • এবং ক্ষারীয় বাফার দ্রবণ

এগুলো ছিল বাফার দ্রবণের প্রকারভেদ এবং এই প্রকারভেদ গুলো দ্বারা আপনি বাফার দ্রবণের সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: সম্পৃক্ত দ্রবণ কাকে বলে?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top