বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম

শিশু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম এ বিষয়টি নিয়ে অনেকেই জানতে আগ্রহী হন। আর অবশ্যই প্রত্যেকটি গার্জিয়ান তাদের শিশুর সঠিক যত্নের জন্য এবং জ্বর থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য শিশুর জ্বরের এন্টিবায়োটিক জানতে চায়।

এন্টিবায়োটিক হচ্ছে এমন একটি ঔষধ যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের রোগ খুব দ্রুত অপসারিত হয় এবং ব্যক্তি সুস্থ ও সবল হয়। আর এই কারণে আমরা সবাই নিজের সুখের দ্রুত সুরক্ষা প্রদান করার জন্য জ্বরের এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে জানতে চাই।

বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম
বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম।

৫টি উল্লেখযোগ্য বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • ওডাজিথ সিরাপ (Odazyth)।
  • জিম্যাক্স সিরাপ (Zimax)।
  • এ সি ই সিরাপ (Ace)।
  • রেনোভা (Renova)।
  • ভেরিক্সিম (Verixim)।

এগুলো হলো জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম যেগুলো আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বা দেওয়ার জন্য। আর অবশ্যই আপনার শিশু সুরক্ষা জ্বর থেকে সঠিক মত প্রদান করার জন্য এই সকল ঔষধ সরবরাহ করতে পারেন।

জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার শিশুকে এন্টিবায়োটিক দেওয়ার পূর্বে কিছু করণীয় বা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। আর এই সকল পদ্ধতি অবলম্বন করার মাধ্যমে আপনার শিশুর শরীরে এন্টিবায়োটিক ঔষধের কোন পার্শ্ববর্তী ক্রিয়া পরিলক্ষিত হবে না।

বাচ্চাদের এন্টিবায়োটিক দেওয়ার নিয়ম

শরীরে যেকোনো ধরনের রোগ এন্টিবায়োটিক ঔষধ যেমন খুব দ্রুত নিরাময় করে থাকে ঠিক অপরদিকে এই এন্টিবায়োটিক গ্রহণের ফলে পার্শ্ববর্তী ক্রিয়া দেখা যায়। আর অবশ্যই যেকোন ঔষধের পার্শ্ববর্তী ক্রিয়া বা সাইড ইফেক্ট আমাদের শরীরের অনেক ক্ষতি সাধন করতে পারে।

আর আপনার শিশুর শরীরে যেন জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধ কোন সাইড ইফেক্ট দেখাতে না পারে সেজন্য কিছু নিয়ম অবলম্বন করতে হবে। যে নিয়মগুলোকে বলা হয় বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক দেওয়ার নিয়ম এবং সেই সাথে এগুলোকে পদ্ধতি বলা চলে।

নিচে আপনি কিভাবে আপনার শিশুকে জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধে দিবেন তা উল্লেখ করা হলো:

  • বাচ্চার বয়স অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে ঔষধ প্রদান করতে হবে।
  • অবশ্যই যেকোনো ধরনের এন্টিবায়োটিক খাওয়ানোর পূর্বে ভালো করে খাবার খাওয়াবেন, তবে ভরপুট খিলানো উচিত নয়।
  • যেকোনো ধরনের ঔষধ খাওয়ানোর পূর্বে বিশেষ করে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানোর পূর্বে, বাচ্চার উপযুক্ত রোগ হয়েছে কিনা তা নির্বাচন করুন।
  • বাচ্চাকে এই এন্টিবায়োটিক গুলো খাওয়ানোর পূর্বে শরীর ঠান্ডা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। উদাহরণ: গোসল দেওয়া।
  • শিশুকে অবশ্যই কোন ধরনের ভয় দেখাবেন না কেননা এতে করে শিশু এন্টিবায়োটিক খেতে ভয় পায়।

অবশ্যই এই সকল মূল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে আপনাকে আপনার শিশুর জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধ প্রদান করতে হবে।

কেননা আপনি যদি কোন নিয়ম অবলম্বনে না করে জ্বরের এন্টিবায়োটিক আপনার বাচ্চাকে দেন তাহলে অবশ্যই এর সাইড ইফেক্ট দেখা দিবে।

এন্টিবায়োটিকের ফলে যদি কোন সাইড ইফেক্ট দেখা যায় তাহলে এটি আপনার শিশু শরীরে একটি সমস্যা থেকে আরেকটি সমস্যা সৃষ্টি করবে।

শেষ কথা:

বাচ্চাদের জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম এবং এন্টিবায়োটিক দেওয়ার নিয়ম কিভাবে করবেন তা উল্লেখ করা হয়েছে।

আর অবশ্যই আপনাকে আপনার শিশুর সঠিক জ্বরের যত্নের জন্য এই সকল তথ্য মেনে ঔষধ প্রদান করতে হবে।

কেননা একজন শিশু তার শৈশব অবস্থা কখনোই তার নিজের ভালো-মন্দ বিবেচনা করতে পারবে না এবং সঠিক নিয়ম মেনে ওষুধ গ্রহণ করতে পারবে না। আর এজন্য অবশ্যই আপনার শিশুর সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য যত্নের দায়িত্ব আপনার ওপর বিদ্যমান থাকবে যা আপনাকে সঠিক নিয়ম মেনে করতে হবে।

আমাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আপনাকে অবশ্যই সঠিক নিয়ম অবলম্বন করে আপনার শিশুকে জ্বরের এন্টিবায়োটিক দিতে হবে।

যদিও পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির জন্য জ্বর স্বাভাবিক রোগ তবে একটি বাচ্চার জন্য জ্বর অনেক বেশি ক্ষতি সাধন করার জন্য যথেষ্ট।

আর আপনি যেন কখনো অবহেলা ভাবে আপনার শিশুকে না রাখেন তাই অবশ্যই এই বিষয়ের উপর বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবেন। কেননা আপনার একটি ভুল বা অবহেলা আপনার শিশুর জীবনে অনেক বেশি প্রভাব ফেলতে পারে শুধুমাত্র এই জ্বরের কারণে।

তাই উপযুক্ত নিয়ম অবলম্বন করে অবশ্য সর্বদা চেষ্টা করবেন আমাদের দেওয়া জ্বরের এন্টিবায়োটিক ঔষধ গুলো আপনার শিশুকে প্রদান করার জন্য।

আরও পড়ুন: টাইফয়েড জ্বর হলে কি গোসল করা যায়?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!