বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রীর নাম কি?

বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রীর নাম কি:  ডঃ আব্দুস শহীদ হলেন বাংলাদেশের নতুন কৃষি মন্ত্রী। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখে তিনি এই পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশের ৩৬ তম কৃষি মন্ত্রী ও থাকে তিনার আগে আরো ৩৫ জন কৃষি মন্ত্রী ছিলেন যারা বর্তমানে অবসরে কিংবা অন্য দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনার আগে কৃষি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মোঃ আব্দুর রাজ্জাক তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ৩৫ তম কৃষিমন্ত্রী।  ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখে তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয় এবং তাকে অন্য একটি দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রীর নাম কি
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রীর নাম কি

তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারের চার আসন শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ থেকে জয় যুক্ত হয়েছেন বা নির্বাচিত হয়েছেন।

কৃষি মন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি জাতীয় সংসদের একজন চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং খুব ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখের বৃহস্পতিবারে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এইবার নিয়ে তিনি টানা সাতবার একজন জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বা জয়লাভ করেছেন।

ডঃ আব্দুস শহীদ এর জন্ম

আব্দুস শহীদ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৮ সালের জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে একটি সুনামধন্য অথবা একটি ভালো পরিবারের মধ্যে।

তিনি জন্মগ্রহণ করেন মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর নামক গ্রামে।

তিনার পিতার নাম বা বাবার নাম ছিল আব্দুল বারী আর তিনার মাতার নাম বা মায়ের নাম ছিল সাজেদা খানম। 

ডক্টর আব্দুস শহীদ হচ্ছেন আট ভাই তিন বোন অর্থাৎ তারা মোট ১১  জন ভাইবোন ছিলেন এবং তিনি হচ্ছেন তৃতীয় ভাই।

তার ছোট ভাইয়ের নাম ইফতেখার আহমেদ বদরুল তিনি একজন রহিমপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান।আরতি না ছোট ভাই তার বড় ভাইদেরকে সহ বর্তমান  কৃষি মন্ত্রীকে অনেক সম্মান করেন এবং সকলকে অর্থাৎ সাধারণ মানুষকে ভালবাসেন।

ডঃ আব্দুস শহীদ এর ব্যক্তিগত জীবন এবং শিক্ষা জীবন 

ডক্টর আব্দুস শহীদ বা বর্তমান কৃষি মন্ত্রী হলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা অর্থাৎ তিনি দেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ করেছেন।

আর আমাদের দেশকে স্বাধীন দেশ করার ক্ষেত্রে অনেক বড় অবদান রেখেছেন এবং দেশকে স্বাধীন করে তুলেছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অনেক ভালো মানুষ এবং অনেক বড় মাপের সমাজসেবক তিনি অন্যের কষ্টে ব্যথা পান এবং অন্যের দুঃখে দুঃখী হন।  তিনি টিনা হারে জীবনের অনেকটা সময় সমাজের কল্যাণের জন্য কাটিয়েছেন যার কারণে তিনি পরপর চারবার জয়ী হয়েছেন।

ডক্টর আব্দুস শহীদ তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে বা উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পাশ করেন মৌলভীবাজার জেলার স্কুল এবং কলেজ থেকে।

আর তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর এখানে তিনি একটি ভালো ফলাফল অর্জন করেন।

আবার তিনি ২০১৮ সালের জুন মাসের ২ তারিখে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উপর গবেষণা  বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

ডঃ আব্দুস শহীদ এর রাজনৈতিক জীবন

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে খুবই দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এর আগে ২০০১ সাল থেকে শুরু করে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় চিপ হুয়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আর ১১শ সংসদের মধ্যে তিনি অনুমতি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির একজন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আবার তিনি শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত সবচেয়ে প্রাচীন বিদ্যাপীঠ ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর মন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেছেন।

আমি ধারণা করছি যে আপনি আমার লেখা এই পোস্টটি পড়েছেন এবং বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রীর নাম কি?  সেই সাথে আপনি আরো বুঝতে পেরেছেন যেগুলো আমি এখানে উল্লেখ করেছি অর্থাৎ তিনার জীবন সম্পর্কে কিছু ব্যাখ্যা।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নাম কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *