বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম কি?

বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম কি: ডা: সামন্ত লাল সেন হলেন বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি হলেন বাংলাদেশের বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার খুবই অভিজ্ঞ ব্যক্তি। তিনার পূর্বে এই স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন জাহিদ মালেক স্বপন।

এই জাহিদ মালেক স্বপন এর কাজের মেয়াদ ছিল ৭ জানুয়ারি ২০১৮ সাল  থেকে সাল থেকে শুরু করে ১১ই জানুয়ারি ২০২৪ সাল পর্যন্ত। বর্তমানে তিনার মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং তিনার পরে এখন বর্তমানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন ডক্টর সামন্ত লাল সেন।

বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম কি
বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম কি

সামন্ত লাল সেন এর রাজনৈতিক দল হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশের সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে তিনি জয় লাভ করেন। টানা চতুর্থবার আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের করা মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী কোঠায় তিনি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

তিনাকে এই দায়িত্ব দেওয়ার আগের দিন পর্যন্ত তিনি আমাদের দেশের সকল বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান ছিলেন।

তিনার জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে আগুনে পুড়া রোগীদের চিকিৎসা এবং তাদের সেবা দিয়ে সুস্থ করার ক্ষেত্রে।

আর এগুলোর পাশাপাশি তিনি চিকিৎসা বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তিনি তিনার জীবনের বেশিরভাগ সময় রোগীদের চিকিৎসা এবং রোগীদের সেবায় বিনিয়োগ করেছেন।

ডঃ হেমন্ত লাল সেনের ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি হলেন একজন সাদামাটা, নির্মহো এবং সদালাপী একজন ব্যক্তি তিনার স্ত্রি হচ্ছেন মিসেস রত্না সেন।

হেমন্ত লাল সেন এবং রত্না সেনের একটি পুত্র সন্তান এবং একটি কন্যা সন্তান রয়েছে আর তারা প্রত্যেকে ব্যক্তি জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত।

 আমাদের বাংলাদেশের দেশের মধ্যে প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার জন্য তিনি হলেন জীবন্ত একজন কিংবদন্তীর নাম। অসংখ্য সাধারণ মানুষ তিনার সেবার জন্য তিনাকে সেন স্যার হিসেবে ডেকে থাকেন বা সেন স্যার হিসেবে মর্যাদা দিয়ে থাকেন।

সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য তিনি নীরলস ভাবে সেবা দিয়ে গেছেন এবং নীরলস ভাবে চেষ্টা করে গেছেন সেবা দেওয়ার।

আর তিনর এসব মহান কাজের জন্য ২০১৮ সালে তিনাকে বাংলা একাডেমী ফেলারশিপ পদে ভূষিত করা হয়।

ডঃ হেমন্ত লাল সেনের জন্ম

তিনি ১৯৪৯ সালের ২৪ শে নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলা যার বর্তমান নাম চট্টগ্রাম জেলার নাগুরা গ্রামের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

তিনার পিতা ছিলেন জিতেন্দ্র লাল সেন আর তিনি ছিলেন একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা।

এটি ডক্টর হেমন্ত লাল সেন এর জন্মস্থান এবং এই জায়গায় তিনি এমপি নিযুক্ত হন এবং এমপির পরে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

আর এমপি হওয়ার পরেই তিনি তিনার জন্মস্থানের জন্য অনেক কাজ করেছেন এবং তিনার জন্মস্থানের  অনেক উন্নয়ন করেছেন।

ডঃ হেমন্ত লাল সেনের শিক্ষা জীবন

তিনি সেন্ড ফিল্মস হাই স্কুল থেকে ১৯৬৪ সালে মাধ্যমিক পাশ করেন এবং তিনি সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছিলেন। আর তিনি এমবিবিএস কমপ্লিট করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৭৩ সালে এবং সেখানে তিনি ভালো ফলাফল অর্জন করেন।

এরপর ১৯৮০ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ভিয়েনা শহর থেকে ডিপ্লোমা ইন স্পেশালাইজিস্ট সার্জারি ডিগ্রী অর্জন করেছিলেন।

এরপর তিনি ইংল্যান্ড দেশ এবং জার্মানি দেশ থেকে সার্জারি বিষয়ক উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন।

ডঃ সেমন্ত লাল সেনের রাজনৈতিক জীবন

সেমন্ত লাল সেন ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

আর এর জন্য তিনি ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে যাতায়াতের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর্য লাভ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সহচর্যের মাধ্যমে সমাজ চিন্তা রাষ্ট্রদর্শন ও স্বাস্থ্য ভাবনার সঙ্গে পরিচিত হন।

আর এভাবেই তিনি জাতির পিতার সহচর্যে জাতির পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যান এবং বিশেষভাবে তিনি অনুপ্রাণিত হন।

ডঃ হেমন্ত লাল সেনের কর্মজীবন

তিনি তিনার কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৭৫ সালে দেশের দুর্গম এলাকায় হবিগঞ্জের বানিয়াচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মেডিকেল অফিসার হিসেবে। তিনি সেখানে পাঁচ বছর সেবা প্রদান করেন এবং পরে ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করেন।

তিনি ১৯৮৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বল্প পরিসরে আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা করতে শুরু করেন।

এরপর ২০০৩ সালে এই হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট বার্ন ইউনিট হিসেবে উন্নীত করা হয়।

এরপর এই ইউনিটকে ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয় এবং স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়। আর এখানে অনেক প্রকার আগুনে পোড়া রোগীদের এবং বিশেষ দুর্ঘটনায় আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা ভালো মতো প্রদান করা হতো।

আমি মনে করি যে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম কি এবং এই বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পেয়েছেন।

আরো পড়ুন: ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার উপায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *