দাউদ এর ঔষধ এর নাম | দাউদ এর সবচেয়ে ভালো ঔষধ

আমাদের দাউদ হওয়ার পর আমরা দাউদ এর ঔষধ এর নাম জানতে চাই এবং সঠিক চিকিৎসা জানতে চাই। তাই আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা দাউদ এর সঠিক ঔষধে জানতে পারবেন এবং দাউদের সঠিক চিকিৎসা জানতে পারবেন।

দাউদ এর ঔষধ এর নাম
দাউদ এর ঔষধ এর নাম

৫টি উল্লেখযোগ্য দাউদ এর ঔষধ এর নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • অক্সিফান লোশন (Oxyphan Cream),
  • ফানজিডাল-এইচ সি (Fungidal-HC Cream),
  • রূপদায় ট্যাবলেট (Rupaday Tablet),
  • লুলিজল ক্রিম (Lulizol Cream),
  • পেভিসন ক্রিম (Pevisone Cream),
  • গ্যাকোজিমা (Gacozema 35tk)।

এগুলো ছিল দাউদের কিছু কার্যকর ঔষধের নাম এবং এ ঔষধ গুলো দ্বারা আপনি আপনার দাউদ করতে পারেন। তবে কখনো মনে করবেন না যে দাউদের একটি জটিল সমস্যা বরং এটি আমাদের অপরিষ্কার কার্যকলাপের জন্য হয়ে থাকে।

দাউদ কি কি কারণে হয়ে থাকে?

মূলত আমাদেরকে ঔষধে সেবন করলে চলবে না বরং কারণ জানতে হবে যে কারণে দাউদ আমাদের শরীরে হয়। কেননা কারণ জানার মাধ্যমে আমরা সতর্ক হতে পারব এবং সতর্ক থেকে খুব সহজে আমরা দাউদ মোকাবেলা করতে পারব।

তাই আমরা আজকের এই পোষ্টের মধ্যে দাউদ কি কি কারণে আমাদের শরীরে হয় তা নিয়ে আলোচনা করব। সেই সাথে বলে দিব আমাদেরকে কি করতে হবে যেন দাউদ আমাদের শরীরে না হয় এবং আমরা দাউদের থেকে মুক্ত থাকি।

  • অনেক বেশি টাইট বা চিপা জামা কাপড় পরার কারণে দাউদ হতে পারে।
  • অতিরিক্ত হারে ঘেমে যাওয়ার কারণে বা ঘাম ঝরার কারণে দাওয়াত হতে পারে।
  • অতিরিক্ত হারে পরিশ্রম করার কারণে এবং মাংসপেশি সঞ্চালনের কারণে দাওয়াত হতে পারে।
  • নিয়মিত এবং পরিমাণমতো গোসল না করার কারণে দাউদে দেখা দিতে পারে।
  • সবসময় কোনো একটি স্থান ভিজিয়ে রাখার কারণে দাউদ দেখা দিতে পারে।
  • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না থাকার কারণে বা হাতমুখ না ধরার কারণে দাউদ হতে পারে।

এগুলা ছিল বেশ কয়েকটি কারণ যে কারণগুলোর জন্য আমাদের শরীরের মধ্যে দাউদের সংক্রমণ ঘটে। বৈজ্ঞানিক ভাষায় দাউদকে মূলত ফাংগাল ইনফেকশন বলা হয় অর্থাৎ এই ইনফেকশন আমাদের নিজের দ্বারাই ঘটে থাকে বিভিন্ন অঙ্গে।

দাউদ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

চলুন এবার তাহলে আমরা জেনে নেই যে কি কি উপায় অবলম্বন করার মাধ্যমে আমরা দাউদ থেকে মুক্তি পেতে পারবো। অথবা আমাদের যদি দাউদ না হয়ে থাকে তাহলে কিভাবে আমরা আমাদের শরীরকে দাউদের থেকে প্রতিরক্ষা দিতে পারব।

নিচে উল্লেখযোগ্য কিছু দাউদ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় উল্লেখ করা হলো:

  • নিয়মিত গোসল করা: নিয়মিত গোসল করার ফলে দাউদ শরীরে বিকাশ ঘটে না।
  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা: সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার ফলে দাউদ শরীরে জন্মাতে পারে না।
  • টাইট জামা কাপড় না পড়া: যেহেতু টাইট জামা কাপড় পরার কারণে দাউদ হয় তাই এটি থেকে বিরত থাকা।
  • সুতি জামা কাপড় ব্যবহার: সুতি জামা কাপড় ব্যবহারের ফলে শরীরের মধ্যে বাতাস প্রবেশ করে।
  • রোদে না থাকা: রোদে থাকার কারণে আমাদের শরীর ঘেমে যায় এবং এর ফলে দাউদ হয় তাই রোদে না থাকা।
  • শরীরকে ভিজে না রাখা: অত্যাধিক সময় ধরে গোসল না করা এবং ময়লা আবর্জনা জনিত পানিতে গোসল না করা।

এগুলো ছিল বেশ কয়েকটি উপায় এবং এই কয়েকটি উপায় অবলম্বন করার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে দাউদ দূর করতে পারবেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন যে দাউদ দূর করতে আপনাকে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘাড় ব্যথা কিসের লক্ষণ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top