জ্ঞান কি? জ্ঞান কাকে বলে? জ্ঞান কত প্রকার ও কি কি?

আজকের পোস্টটি পড়ে জনাতে পারবেন: জ্ঞান কি, জ্ঞান কাকে বলে, জ্ঞান কত প্রকার ও কি কি এবং জ্ঞান কতটুকু প্রয়োজন ইত্যাদি। তাই আপনারা যদি ইতিমধ্যে এই সকল বিষয়গুলো সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে পোস্টটি সম্পন্ন করুন।

মূলত আমরা জ্ঞান বলতে শিক্ষা অর্জন করাকে বুঝে থাকে, কিন্তু জ্ঞান বলতে শুধু শিক্ষা অর্জন করাকে বোঝানো হয় না।

বরং জ্ঞানের সংজ্ঞা এবং বিষয়গুলো অনেক বেশি বিস্তারিত এবং সবকিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম।

জ্ঞান কি
জ্ঞান কি?

জ্ঞান কি: কোন বিষয়ের অবস্থা, তথ্য, বিবরণ, পরিচয়, গুণাবলী, ব্যবহার এবং নির্দেশিকা সম্পর্কে জানাই হচ্ছে জ্ঞান। অর্থাৎ জ্ঞান শুধুমাত্র একটি বস্তুর পরিচয় জানা নয় বরং সেই সাথে ওই বস্তুটির সকল তথ্য, বিবরণ এবং গুণাবলী সম্পর্কে ধারণা লাভ করা।

তাই বোঝা গেল যে জ্ঞানের বিস্তার অনেক বেশি কেননা, জ্ঞান একটি বিষয়ের উপর গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে হাসিল হয়।

অর্থাৎ জ্ঞান তখনই সঠিকভাবে সার্থক হয় যখন আমরা কোন বিষয়ের প্রতি সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারি।

জ্ঞান কাকে বলে?

Knowledge বা জ্ঞান কাকে বলে এই দুইটি বিষয়ের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই এবং একই বিষয় প্রকাশ করে।

অর্থাৎ জ্ঞান কাকে বলে এই বিষয়টির সংজ্ঞা আপনি আমাদের উপরে থাকা জ্ঞান উক্ত টপিক থেকে জানতে পারবেন।

জ্ঞান কাকে বলে: কোন বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা, তথ্য, পরিচয়, গুণাবলি, বৈশিষ্ট্য, নির্দেশিকা, ব্যবহার এবং সুবিধা সম্পর্কে জানাকে জ্ঞান বলে। আর এখান থেকে এটি স্পষ্ট ভাবে বোঝা যে গেল যে, জ্ঞান অনেক দূর বিস্তৃত।

তবে আপনি শুধুমাত্র কোন একটি বিষয়ের পরিচয় জানতে, তাই বলে এটি জ্ঞান হবে না এমনও নয়। বরং আপনি যতটুকু জানতে পেরেছেন তার প্রত্যেকটি জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত কিন্তু আপনার জ্ঞানটি পরিপূর্ণ নয় বরং জ্ঞানটি সামান্য।

অর্থাৎ আপনি যদি কোন একটি বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন তাহলে সেটি পরিপূর্ণ জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত হবে।

কিন্তু আপনি যদি এমনটি না করতে পারেন অর্থাৎ কিছুটা জানেন তাহলে এটি জ্ঞানের অংশ হিসেবে পরিচিত হবে।

জ্ঞান কত প্রকার ও কি কি?

আমরা তো জ্ঞান সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান লাভ করলাম, কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে জ্ঞান কত প্রকার ও কি কি? অর্থাৎ আমরা জ্ঞানকে কয় ভাগে ভাগ করতে পারি এবং ওই ভাগগুলো কেন আমাদের জ্ঞানের বিস্তারকে পৃথক করে তুলেছে।

জ্ঞান মূলত দুই প্রকার, যেমন:

  • প্রত্যক্ষ জ্ঞান,
  • পরোক্ষ জ্ঞান

প্রত্যক্ষ জ্ঞান: যে সকল জ্ঞান মানুষ নিজের চেষ্টায় এবং নিজে অতিবাহিত হয় শিক্ষা অর্জন করে সেটি হচ্ছে প্রত্যক্ষ জ্ঞান। অর্থাৎ আপনি কোন একটি কাজ করছেন এবং কাজটি নিজ হাতে করছেন বিধায়ক কাজের ভাবভঙ্গি জানছেন, যা প্রত্যক্ষ জ্ঞান।

পরোক্ষ জ্ঞান: যে সকল জ্ঞান অন্যদের কাছ থেকে নেওয়া হয় অথবা বই থেকে পাওয়া যায় সেগুলো হচ্ছে পরোক্ষ জ্ঞান।

অর্থাৎ এই সকল জ্ঞান আমাদের জীবনে ইতিমধ্যে ঘটেনি কিন্তু বই থেকে আমরা জানতে পেরেছি, যেমন ইতিহাসের জ্ঞান।

আরও পড়ুন: কারিকুলাম কি?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top