জীব কাকে বলে? জীবের বৈশিষ্ট্য ও ধরণ

জীব কাকে বলে: জীব বিজ্ঞানের ভাষায় এই মহাবিশ্বে যাদের জীবন আছে তাদেরকে জীব বলে।  জীবের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পুষ্টি, রেচন, প্রজনন, বৃদ্ধি, শ্বাস-প্রশ্বাস, অভিযোজন অনুভূতি ইত্যাদি রয়েছে।

বিস্তারিতভাবেই এই জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞাটি প্রদান করলে হবে, যে সকল জিনিসের মধ্যে সজীব প্রটোপ্লাজম যুক্ত রয়েছে আর সর্বদা বিপাকীয় কার্যাবলী চলে তাদেরকে জীব বলে। আর এই জীবসমূহ বিভিন্ন পা বিভিন্নভাবে তাদের বংশবৃদ্ধি করে থাকে যেমন কেউ ডিম দিয়ে কেউ অঙ্গ দিয়ে, আবার কেউ সরাসরি বাচ্চা প্রদান করে।

জীবজগতে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা হয় যার একটি হচ্ছে প্রাণী এবং অন্যটি হচ্ছে উদ্ভিদ এবং এগুলোরও বহু প্রকারভেদ রয়েছে।

এই দুটি ভাগ মূলত আমাদেরকে এই পৃথিবীতে উপস্থিতদের জীবসমূহ কে আলাদা আলাদাভাবে চিনতে সাহায্য করে থাকে।

জীব কাকে বলে
জীব কাকে বলে

কোন বস্তু যদি জীব হতে চায় বা কোন জিনিস যদি জীব হতে চায় তাহলে তার মধ্যে অবশ্যই প্রাণ থাকতে হবে।

যদি সেই বস্তু বা জিনিসের মধ্যে প্রাণ না থাকে তাহলে সেটি জীব হবে না অথবা সেটি জীব বলে গণ্য করা হবে না।

জীবের বৈশিষ্ট্য সমুহ

নিচে জিবের বৈশিষ্ট্য সমূহ তুলে ধরা হলো:

১) চলন। ২) প্রজনন ৩) খাদ্য গ্রহণ ৪) অনুভূতি ৫) রেচন ৬) অভিযোজন ৭) বৃদ্ধি ৮) শ্বাস প্রশ্বাস 

এখন আমরা এগুলোই একটি একটি করে আলোচনা করব এবং এগুলো সম্পর্কে ছোট করে বিস্তারিত জানবো।

চলন: জীবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে জীবের চলন রয়েছে অর্থাৎ জীব নিজের ইচ্ছায় নড়াচড়া করতে পারে।

জীব অনুযায়ী প্রাণী সমূহ বিশেষ করে নড়াচড়া বেশি করতে পারে এবং একই স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে।

প্রজনন: এই পৃথিবীতে যত প্রকার জীব রয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট প্রজনন মাধ্যম রয়েছে।

যেমন: কেউ ডিম দিয়ে, কেউ সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে, কেউ তাদের অঙ্গের মাধ্যমে প্রজনন করে।

খাদ্যগ্রহণ: প্রতিটি জীব খাদ্যগ্রহণ করে খাদ্য গ্রহণ না করলে একটি জীব কখনো বাঁচতে পারবে না। এমন কেউ উদ্ভিদ খাদ্য গ্রহণ করে কেননা উদ্ভিদকে পানি দিতে হয় না হলে উদ্ভিদ  মারা যায়, আর প্রাণি তো খাদ্য গ্রহণ করেই।

অনুভূতি: এই পৃথিবীতে যতগুলো জীব রয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই অনুভূতি আছে এবং তাদের নিজস্ব অনুভুতি রয়েছে।

যেমন প্রতিটি জীবে তার অনাগত বংশধর বা বাচ্চাকে খুব বেশি পরিমাণে ভালোবাসে।

রেচন: এই পৃথিবীর প্রতিটি জীব একটি বিশেষ পরকীয়ার মাধ্যমে দেহ থেকে তার বজ্র পদার্থ রেচন প্রক্রিয়া বের করে দেয়। যেমন অনেক প্রাণী পায়ুপথে এবং উদ্ভিদ পাতার মাধ্যমে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় দেহ থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়।

অভিযোজন: এই অভিযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই একটি জীব বর্ণ পরিবেশে দিয়ে সেই পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

বৃদ্ধি: এই পৃথিবীতে যত প্রকার জীব রয়েছে তাদের বৃদ্ধি হয় রয়েছে এবং সকলেই ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড় হয়।

শ্বাস-প্রশ্বাস: এই পৃথিবীতে যত প্রকার জীব রয়েছে তারা সকল এই বাতাস থেকে শ্বাস গ্রহণ করে এবং বাতাসে নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

শেষ কথা:

আশা করি আমার লেখা এই পোস্টের মধ্যে জীব কাকে বলে এই প্রশ্নটির উত্তর আপনি সঠিকভাবে পেয়েছেন।

আর এই পোষ্টের মধ্যে এর সংজ্ঞাটি আমি দুইবার প্রদান করেছি এর মধ্যে একটি সংজ্ঞা বড় এবং অন্যটি ছোট।

আপনি যদি আপনার উত্তর হিসেবে বড় সংখ্যাটি বাছাই করেন তাহলে আপনি বড় সংজ্ঞাটি দিতে পারেন। আবার আপনি যদি আপনার উত্তর হিসেবে ছোট সংজ্ঞাটি বাছাই করেন তাহলে আপনি ছোট সংখ্যাটি দিতে পারেন।

কিন্তু আমার উপদেশ হবে যে আপনি প্রথম সংজ্ঞা অর্থাৎ ছোট সংখ্যাটি প্রদান করবেন এবং এটিই দিবেন।

কেননা এটি দিলে আপনার বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে এবং এটি একটি ভালো সংজ্ঞা হিসেবে পরিচিত।

আরো পড়ুন: জীববিজ্ঞান ইংরেজি কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *