গবেষণা শব্দের অর্থ কি? গবেষণার প্রকারভেদগুলো উল্লেখ কর 

গবেষণা শব্দের অর্থ কি: গবেষণা শব্দের অর্থ হলো খোঁজ করা, অনুসন্ধান করা, তথ্য অন্বেষণ করা ইত্যাদি। জ্ঞানের মজুদ বাড়ানোর জন্য করা সৃজনশীল পদ্ধতিগত কাজ হচ্ছে গবেষণা বা একেই গবেষণা বলা হয়ে থাকে।

আব্দুল্লাহ আল মুতি এর মতে বিজ্ঞানীরা যে উপায় তাদের তথ্যের অনুসন্ধান পরিচালনা করে থাকে তাকেই গবেষণা বলে। গবেষণা কথাটি আমরা এমনি এমনি ব্যবহার করি না এটি একটি বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

গবেষণা শব্দের অর্থ কি
গবেষণা শব্দের অর্থ কি

গবেষণা শব্দটি গবেষক বা গবেষণ শব্দ থেকে এসেছে যা একটি বিশেষ্য শব্দ ছিল অনেক সময় এটি বলা হয়ে থাকে।

আর এই গবেষণা শব্দটির অর্থ হিসেবে অনেক জায়গায় বলা হয়েছে যে তত্তান্বেষণ অথবা তথ্যের অনুসন্ধান করা।

আশা করি আপনারা এত দূর পর্যন্ত পড়েছেন এবং পড়ার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছেন যে গবেষণা শব্দের অর্থ কি? এখানে আসলে তেমনভাবে বলার কিছুই নেই এখানে শুধুমাত্র তথ্যটি বা প্রশ্নের উত্তরটি বলে দেওয়াই ছিল লক্ষ্য।

গবেষণার প্রকারভেদ

লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ভিন্ন হওয়ার কারণে গবেষণার প্রকৃতি এবং গবেষণার প্রকারভেদ ভিন্ন হতে পারে। আর গবেষণার মাধ্যমে যেহেতু বিভিন্ন ভিত্তিকে উপস্থাপন করা হয় ভিত্তি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয় তাই ভিত্তি হচ্ছে মূল বিষয়। 

ভিত্তি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এগুলো ভিন্ন হতে পারে কিন্তু গবেষণার যে প্রকার থাকবে না বা থাকতে পারে না তা কিন্তু নয়। ভিত্তি লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য এগুলোর মাধ্যমে ও গবেষণার প্রকারভেদ রয়েছে নিচে এগুলি দেওয়া হলো:

১} প্রয়োগ ভিত্তিতে গবেষণা।

২} উদ্দেশ্য ভিত্তিতে গবেষণা। 

৩} পদ্ধতিগত মূলনীতির ভিত্তিতে গবেষণা।

এগুলো ছিল গবেষণার মূল প্রকারভেদ এগুলোর পাশাপাশি এগুলো আবার বিভিন্ন শাখা রয়েছে। নিচে আমরা এখনই একটি একটি করে এগুলোর প্রকারভেদ বা এগুলো শাখা সম্পর্কে জানব এবং জ্ঞান অর্জন করব।

প্রয়োগ ভিত্তিতে গবেষণা

এই প্রয়াগ ভিত্তিতে গবেষণাকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা যায় আর সেই তিন ভাগ হলো:

১) মৌলিক গবেষণা।

২} ফলিত গবেষণা।

৩} কার্যমূলক গবেষণা।

১) কেবল পৃথিবী ও পৃথিবীর মৌলিক বিষয় নিয়ে গবেষণা করাই হচ্ছে মৌলিক গবেষণা আর জ্ঞান অর্জন করা মৌলিক গবেষণার মূল লক্ষ্য।

২} সমস্যার বাস্তব সমাধানের জন্য পরিচালিত গবেষণাকে ফলিত গবেষণা বলে এটি একটি মাঠ গবেষণা এবং এটি বাস্তব সমস্যার সমাধান করে।

৩) উদ্দেশ্য অর্জন করার জন্য কাজ করার মাধ্যমে যে গবেষণা করা হয় তাকে কার্যমূলক গবেষণা বলে আশা করি বুঝতে পেরেছেন গবেষণা কি?

উদ্দেশ্য ভিত্তিতে গবেষণা

এই উদ্দেশ্যভিত্তিতে গবেষণা আবার দুই প্রকার নিচে এই তিন প্রকার উল্লেখ করা হলো:

১) উদঘাটনমূলক গবেষণা।

২) ব্যাখ্যামূলক গবেষণা।

১) অস্পষ্ট বা জটিল বিষয়কে সহজ ভাবে ব্যাখ্যা করে তার উত্তর বের করা হচ্ছে উদঘাটন মূলক গবেষণা আর এর প্রধান কাজ হচ্ছে নতুন কিছু উদ্ভাবন করা।

২) দুই বা ততোধিক বস্তু অথবা চলকের মধ্য কার সম্পর্কের পরিধি ব্যাখ্যা করা হচ্ছে ব্যাখ্যামূলক গবেষণা।

পদ্ধতিগত মূলনীতির ভিত্তিতে গবেষণা

এই পদ্ধতিগত মূলনীতির ভিত্তিতে গবেষণাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায় নিচে এর ভাগ গুলি উল্লেখ করা হলো:

১) সংখ্যাত্মক গবেষণা।

২) গুনাত্মক গবেষণা।

১) সংখ্যাবাচক বা পরিমাণ বাচক কোন বিষয়ে অথবা সংখ্যা বা পরিমাণের চলক প্রকাশ পায় এমন গবেষণাচার সংখ্যা বাচক গবেষণা।

২) যে গবেষণার মাধ্যমে সমস্যার অন্তর্নিহিত বিষয় তুলে ধরা হয় ও সমস্যার বিস্তার অনুধাবন করা হয় তাকে গুনাত্মক গবেষণা বলে। 

আরো পড়ুন: গবেষণা কী?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *