উপগ্রহ কি? উপগ্রহ কাকে বলে? উপগ্রহ বলতে কী বোঝায়?

উপগ্রহ কি: যে সকল জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয় তাদের উপগ্রহ বলে।যে সকল জ্যোতিষ্ক সমূহ গ্রহ বা তার থেকে বড় কোন বস্তুকে ঘিরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তিত হয় তারাই হচ্ছে উপগ্রহ আর এই উপগ্রহ সমূহের নিজস্ব কোন আলো বা তাপ থাকে না। মহাকর্ষ বলের কারণে উপগ্রহ সমূহ গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে।এর উদাহরণ হলো চাঁদ এবং এটি পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ যা পৃথিবীকে আবর্তন করে।

আমাদের গ্যালাক্সির মধ্যে অনেকগুলো গ্রহ রয়েছে যাদের নিজস্ব কোন উপগ্রহ নেই যেমন বুধ এবং শুক্র গ্রহের নিজস্ব কোন উপগ্রহ নেই।

আবার এমন গ্রহ রয়েছে চাঁদের বা উপগ্রহের সংখ্যা অনেক বেশি যেমন বলা যায় শনি গ্রহ এবং বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

আর এই সকল বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি এবং সুস্পষ্ট ভাবে ধারণা লাভ করতে পেরেছি বিজ্ঞানের অনবরত উন্নতির কারণে। যত দিন  যাচ্ছে বিজ্ঞান ততই উন্নতি সাধন করছে এবং নতুন বিষয় নতুন কিছুকে উন্মোচন করতে এবং নতুন কিছু রহস্য সম্পর্কে জানতে আমাদেরকে সাহায্য করছে।

উপগ্রহ কি উপগ্রহ কাকে বলে উপগ্রহ বলতে কী বোঝায়
উপগ্রহ কি উপগ্রহ কাকে বলে

মহাজগৎ হলো এক বিশাল বড় জিনিস যা আমাদের মানুষের পক্ষে সম্পূর্ণভাবে তাকে জানা একেবারেই সম্ভব নয়।

তবে উন্নত প্রযুক্তির কারণে আমরা মহাজগৎ সম্পর্কে বর্তমানে অনেক কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে পারি।

এই উন্নত প্রযুক্তি যেমনভাবে আমাদের জীবনধারা বদলে দিয়েছে তেমনি ভাবে আমাদের জ্ঞান পিপাসাকে বদলে দিয়েছে।

আমাদের নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে সহায়তা করতেছে এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছে।এই উপগ্রহের সম্পর্কে জানার কারণে আমরা উপগ্রহের আবর্তন কাল এবং উপগ্রহের উপকারিতা এবং উপগ্রহের উপকারিতা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারি।

যেমন ভাবে চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ এই চাঁদ থাকার কারণে পৃথিবীর মধ্যে জোয়ার ভাটা সংঘটিত হয়।

যার কারণে পৃথিবী এক জায়গার পানি ফুলে উঠে এবং অন্য জায়গায় পানি নেমে যায়।

আর এর কারণে আমাদের সমুদ্রের উপকূল সমূহ পরিষ্কার হয় এবং সমুদ্র তা সবকিছু নিয়ে চলে যায়।

উপগ্রহ কাকে বলে?

উপগ্রহ কাকে বলে:  যে সকল জ্যোতিষ্ক সমূহ গ্রহ বা তার থেকে বড় কোন বস্তুকে ঘিরে আবর্তিত হয় তাদের উপগ্রহ বলে। কোন উপগ্রহের নিজস্ব আলো অথবা নিজস্ব তার থাকে না এরা অন্য কোন জ্যোতিষ্কের আলোয় আলোকিত হয় বা গরম হয়ে ওঠে। উপগ্রহ কি এবং উপগ্রহ কাকে বলে এই দুইটি প্রশ্নের উত্তর একই।

এই উপগ্রহ প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে এগুলো হলো প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং কৃত্রিম উপগ্রহ।

এই প্রাকৃতিক উপগ্রহ সমূহ প্রাকৃতিকভাবেই সৃষ্টি হয়েছে অর্থাৎ এগুলো সৃষ্টি কিভাবে হয়েছে তা হল ব্যাখ্যামূলক।

এগুলো সৃষ্টিতে মানুষের কোন অবদান নেই বা মানুষের মাধ্যমে এগুলোর সৃষ্টি কল্পনা করা যায় না।

আর কৃত্রিম উপগ্রহ সমূহ সেই সকল উপগ্রহ যাদেরকে মানুষ সৃষ্টি করেছে এদেরকে আমরা বেশিরভাগ সময় স্যাটেলাইট হিসেবে বলে থাকে যার কারণে স্যাটেলাইট হিসেবে বললে আপনারা বেশি পরিচিত পাবেন। এই সকল কৃত্রিম উপগ্রহ সমূহ কে মহাকাশে প্রেরণ করা হয় মহাকাশের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য এবং গবেষণা করার জন্য।

তাছাড়া এই সকল উপগ্রহ সমূহ আমাদের বিভিন্ন প্রকার তথ্য দিয়ে উপকার করে থাকে যেমন বিভিন্ন আবহাওয়া তথ্য ঝড়-বৃষ্টির সংবাদ।

আর এগুলো ছাড়া পৃথিবীর অপর নতুন কোন বিপর্যয় আসতে চলেছে কিনা কোন মিটিওর কিংবা এস্টেরয়েড।

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে কিনা এ বিষয়ে সম্পর্কেও ধারণা প্রদান করে থাকে এই উপগ্রহ সমূহ।

কৃত্রিম উপগ্রহ সমূহের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে যে সময়সীমা পর্যন্ত এটি কাজ করে কিন্তু এরপরে এটি ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু প্রাকৃতিক উপগ্রহ সমূহ প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হয় এবং এগুলোর সকল কার্যক্রম প্রাকৃতিকভাবে চলতে থাকে আর এগুলো প্রাকৃতিক কারণে ধ্বংস হতে পারে আর প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্টি হতে পারে।

আর উপগ্রহ সমূহ সব সময় তাদের নির্দিষ্ট কক্ষপথে এবং নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধ অনুযায়ী তাদের নির্দিষ্ট গ্রহকে কেন্দ্র করে পরিভ্রমণ করতে থাকে।

এরা কখনো এদের পরিভ্রমণ পথের মধ্যে কোন প্রকার ত্রুটি করে থাকে না।

কেননা যদি কোন প্রকার ত্রুটি হয়ে যায় তাহলে সেই উপগ্রহটি স্থায়ী হবে না অর্থাৎ সে ধ্বংস হয়ে যাবে।

উপগ্রহ বলতে কী বোঝায়?

উপগ্রহ কি: যে সকল জ্যোতিষ্ক সমূহ নিজের থেকে বড় কিছু বা নিজের থেকে বড় গ্রহের আকর্ষণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তিত হয় তারাই উপগ্রহ। এই সকল উপগ্রহ সমূহের ব্যাগ এর সমান থাকে অর্থাৎ বেঁকে কম বেশি হয় না যে বেগে তারা চলতে শুরু করে সে বেগেই থাকে।

আর উপগ্রহ সমূহের নির্দিষ্ট গ্রহের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে কক্ষপথ পরিবর্তন করে না।

যদি তারা তাদের কক্ষপথের পরিবর্তন করে বা সময়ের থেকে কম বা বেশি সময় চলাচল করে তাহলে তার ধ্বংস হবে।

অর্থাৎ তারা যে ব্যাগ নিয়ে চলতে শুরু করে তাদেরকে সে বেগ নিয়েই চলতে হবে এবং সেই গ্রহের সাথে তাল মিলাতে হবে।আর যে কক্ষপথে নিয়ে চলতে শুরু করবে সেই কক্ষপথে চলতে হবে তা না হলে তারা ধ্বংস হবে।

উপগ্রহ বলতে যে শুধু প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে তা কিন্তু নয় মানুষও সৃষ্টি উপগ্রহ রয়েছে যাকে আমরা কৃত্রিম উপগ্রহ বলি।

এই কৃত্রিম উপগ্রহ সমূহ আমাদের বিভিন্ন বিষয়ের পূর্বাভাস এবং বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান দেয়।

আমরা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে যেমন আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার জন্য আমরা ব্যবহার করি। আবার মহাবিশ্বের কোন জায়গায় কি হচ্ছে সে তথ্য যাতে কিছুটা হলেও জানি তার জন্য ব্যবহার করি।

আমরা বুঝতে পারি যে কোন জায়গায় বৃষ্টি হবে বৃষ্টির তীব্রতা কেমন হবে ইত্যাদি সকল বিষয়।

সম্পর্কে আমরা যতই জানবো ততই কম জানবো কারণ মহাবিশ্ব এত বড় যে সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয়।

আর মহাবিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নগণ্য হচ্ছে এই উপগ্রহ উপগ্রহ সম্পর্কে আমি যা জানি তা আপনাদের বললাম।

এর পরবর্তীতে যদি উপগ্রহ সম্পর্কে আর কিছু জানতে পারি তাহলেও আমি আপনাদের তা জানিয়ে দেবো।

শেষ কথা:

যেই শুধুই ধরনের উপগ্রহের কথা আমি উল্লেখ করেছি এখানে আমি শুধুমাত্র বর্ণনা করার চেষ্টা করেছি  প্রাকৃতিক উপগ্রহ সম্পর্কে।

আমি প্রশ্ন করেছিলাম যে উপগ্রহ কি আর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে এই দুইটি বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় এই দুইটি উপগ্রহ।

এই পোস্টের মাধ্যমে আমি চেষ্টা করেছি আপনাকে এই প্রশ্নটির উত্তর সম্পূর্ণভাবে প্রদান করার জন্য যাতে আপনি এই বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারেন এবং জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। এই পোস্টের মধ্যে যে শুধুমাত্র আমি এই প্রশ্নটির উত্তর প্রদান করেছি তা কিন্তু নয় বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে আলোচনা করেছি।

বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্ন এসে থাকে যেটি জানা খুবই জরুরী যদি এটি ভালোভাবে না জানেন তাহলে আপনার দেওয়া ভুল হতে পারে।

অনেক সময় পরীক্ষার মধ্যে এই সহজে প্রশ্নটির উত্তর আমরা ভুল করে ফেলি এর কারণ হলো অতিরিক্ত টেনশন এবং দুর্বল মানসিকতা।

পরীক্ষার সময় অবশ্যই অবশ্যই আপনি যে বিষয়টি পারবেন সে বিষয়টি আগে লিখবেন এবং যে বিষয়টি পারবেন না সে বিষয়টি আপনি পড়ে লিখবেন।আর যে বিষয়টি আপনি পারেন না সেটি যদি আপনার জন্য লেখা জরুরি হয়ে থাকে তাহলে সেটি সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করে লিখবেন।

শুধুমাত্র যে পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসতে পারে সেজন্য আপনাকে পড়তে হবে তা কিন্তু নয় আপনাকে এই প্রশ্নটির উত্তর জানতে হবে।

এই জন্য যে আপনাকে কেউ জিজ্ঞাসা করলে যাতে আপনি তার উত্তর দিতে পারেন।

কেননা আমাদের সমাজে এমন অনেক ব্যক্তি আছে যারা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করে থাকেন।

আরও পড়ুন: সুশাসন কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *