আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ [অর্থসহ]

অনেকে আরবি জানে না, তাই আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ দিয়ে আয়াতুল কুরসি মুখস্ত করতে চায়। তাই আমরা আজকের এই পোস্টটিতে আয়াতুল কুরসির ফজিলতময় এই কুরআনের অংশটির বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ উল্লেখ করবো।

আয়াতুল কুরসি সুরাটি বা কুরআনের অংশটির ফজিলত অনেক বেশি এবং আমাদের জন্য কল্যাণকর।

কোন ব্যক্তি যদি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, তাহলে জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য মৃত্যু একমাত্র বাধা হয়।

আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ
আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ

তাহলে বোঝা গেল যে, আয়াতুল কুরসির ফজিলত অনেক বেশি কেননা জান্নাতে প্রবেশ করতে কোন সমস্যা হবে না।

চলুন তাহলে এবার আমরা আয়াতুল কুরসি সূরাটির উচ্চারণ বাংলায় জেনে নেই এবং সেই সাথে সুরাটির অর্থ জানার চেষ্টা করি।

আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ: আল-লাহু লা ইল্‌-লা হু ’আল্‌-হাই-য়ু ল্‌-ক্বাইয়্যুম। লা-তা’খুযুহু সিনাতুঁ ও্‌-ওয়ালা নাঊম। লাহু-মা ফি স্‌-সামাওয়াতি ওয়ামা ফি ল্‌-’ আরদ্বি। মাঁং যাল্‌-লাযি ইয়াশ্‌ফা‘উ ‘ইন্‌দাহু ’ইল্‌লা বিইজনিহি। ইয়া‘লামু মা বাইনা ’আইদিহিম্‌ ওয়ামা খলফাহুম, ওয়ালা ইউ হি-তুনা বিশা’ই ইমমিন্‌ ‘ইল্‌মিহি ’ইল্‌-লা বিমা শা-আ’ ওয়াসি‘আ কুর্‌সিইয়ু-হু স্‌-সামাওয়াতি ওয়াল্‌’ আরদ্বি, ওয়ালা ইয়া’উদুহু হিফ্‌যুহুমা, ওয়াহুওয়া ল্‌-‘আলিই-ইয়ু ল্‌- আজীম।

আপনি যদি আয়াতুল কুরসি মুখস্ত করতে চান এবং আরবি না জানেন, তাহলে আমাদের এই উচ্চারণ বাংলায় দেখে মুখস্ত করুন।

কেননা আয়াতুল কুরসির ফজিলত অনেক এবং আমাদেরকে এ ফজিলত পেতে হলে এটি পাঠ করতে হবে।

আয়াতুল কুরসি বাংলা অর্থ

আমরা তো আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ জানালাম এবং এখন আমরা আয়াতুল কুরসির অর্থ জানব।

তাই আপনি যেন অর্থ বুঝে, আয়াতুল কুরসি মুখস্ত ও তেলাওয়াত করতে পারেন তাই আমাদের এই পোস্টটি উপকারী।

আয়াতুল কুরসি বাংলা অর্থ: আল্লাহ, তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী/বিশ্বচরাচরের ধারক। তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তারই [আল্লাহ]। তাঁর অনুমতি ব্যতীত এমন কে আছে যে তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি [আল্লাহ] জানেন। তাঁর [আল্লাহ] জ্ঞান ভান্ডার হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতটুকু তিনি [আল্লাহ] দিতে ইচ্ছা করেন তা ছাড়া। তাঁর [আল্লাহ] কুরসি সমগ্র আসমান ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলোর তত্ত্বাবধান ও সংরক্ষণ তাঁকে [আল্লাহ] মোটেই শ্রান্ত করে না। এবং তিনি [আল্লাহ] সর্বোচ্চ ও মহান।

এটি ছিল আয়াতুল কুরসির বাংলা অর্থ এবং এই অর্থ অনুযায়ী তেলাওয়াত করলে ফজিলত বেশি পাওয়া সম্ভব।

আর অর্থ অনুযায়ী স্পষ্টভাবে বলা যায় যে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বড় মালিক যে কোন কিছু নির্ধারণ করার জন্য।

শেষ কথা:

আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ এবং অর্থ আমাদের প্রত্যেকের জানা অনেক বেশি প্রয়োজন ছিল ফজিলত পাওয়ার ক্ষেত্রে। তাই আমি আজকের এই পোস্টটিতে, আয়াতুল কুরসির সম্পূর্ণ উচ্চারণ বাংলায় ও অর্থ ইতিমধ্যে উল্লেখ করে ফেলেছি।

তবে এখান থেকে আমার কাজ সমাপ্ত হয়েছে, কিন্তু এখন আপনাকে এই আয়াতুল কুরসি নিজের চেষ্টায় মুখস্ত করতে হবে।

কেননা এটি মুখস্ত করলে এবং ফরজ নামাজের পর আদায় করলে জান্নাতে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে মৃত্যু একমাত্র বাধা হবে।

অর্থাৎ আপনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছেন না এবং এর কারণে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারছেন না। আর এটি কত বড় একটি ফজিলতময় কথা কেননা, বাধা যদি শেষ নিশ্বাস হয় তাহলে অবশ্যই স্পষ্ট ভাবে বলা যায় জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।

আর আয়াতুল কুরসির ফজিলত জানার পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করার ফলে সম্পূর্ণ ফজিলত উপভোগ করা যায়।

তাই আমি আজকের এই পোস্টটিতে আয়াতুল কুরসির ফজিলত, উচ্চারণ এবং অর্থসহ উল্লেখ করেছি।

আরও পড়ুন: আল্লাহ হাফেজ অর্থ কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *